জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড বাংলাদেশ এর পরিচিতি
শিক্ষা সংবাদ
প্রকাশের সময় : জুলাই ২৪, ২০২১, ১০:০২ পূর্বাহ্ণ /
৭৫৯
জাতীয় দ্বীনি মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড বাংলাদেশ (আরবি: وفاق المدارس الدينية بنغلاديش) বাংলাদেশে অবস্থিত সরকার স্বীকৃত একটি কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড। বাংলাদেশের কওমি মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড সমূহের মধ্যে এটি সর্বাপেক্ষা নতুন। ২০১৬ সালের ৭ অক্টোবর ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের নেতৃত্বে এই বোর্ডটি গঠিত হয় এবং ১৫ অক্টোবর এটি আনুষ্ঠানিকভাবে আত্মপ্রকাশ করে। এই বোর্ডের অধীনে ১ সহস্রাধিক মাদ্রাসা রয়েছে।
বোর্ডের বর্তমান শিক্ষা ব্যবস্থা তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত।
প্রথম পর্যায়ঃ এ পর্যায়ে রয়েছে ২টি স্তর।
প্রথম স্তরঃ প্রাথমিক শিক্ষা। কুরআন তেলওয়াত ও ইসলামিয়াতসহ গণিত, বাংলা, ইংরেজি ও সমাজ বিজ্ঞান প্রভৃতি ৫ম শ্রেণির মান পর্যন্ত। একে বলা হয় আল মারহালাতুল ইবতিদাইয়্যাহ বা কওমী প্রাথমিক মাদ্রাসা।
দ্বিতীয় স্তরঃ এতে রয়েছে সাধারণ শিক্ষা সহ ইসলামিক শিক্ষা। অর্থাৎ আরবি ভাষা, আরবি ব্যকরণ ও ফিকাহশাস্ত্র, গণিত, বাংলা, ইংরেজি ও সমাজ বিজ্ঞান। একে বলা হয় আল মারহালাতুল মুতাওয়াসসিতাহ। এর মেয়াদ ৩ বছর। ( ৬ষ্ঠ থেকে ৮ম )
দ্বিতীয় পর্যায়ঃ এপর্যায়ে রয়েছে ৪টি স্তর।
১ম স্তরঃ আল মারহালাতুস সানাবিয়্যাহ (মাধ্যমিক স্তর), যার মেয়াদ ২ বছর (৯ম-১০ম)।
২য় স্তরঃ আল মারহালাতুস সানাবিয়্যাতুল উলইয়া (উচ্চ মাধ্যমিক স্তর), যার মেয়াদ ২ বছর (১১শ – ১২শ)।
৩য় স্তরঃ আল মারহালাতুল ফজিলত (স্নাতক ডিগ্রি)। এর মেয়াদ ২ বছর (১৩শ – ১৪শ)।
৪র্থ স্তরঃ আল মারহালাতুল তাকমিল (মাস্টার্স ডিগ্রি)। এর মেয়াদ ২ বছর। এ স্তরকে দাওরায়ে হাদিস বলা হয়।
আপনার মতামত লিখুন :