৪৩তম বিসিএসের ক্যাডার ও নন-ক্যাডারের ফল একসঙ্গে


Shikkha Songbad প্রকাশের সময় : নভেম্বর ৬, ২০২৩, ৪:৩০ অপরাহ্ণ /
৪৩তম বিসিএসের ক্যাডার ও নন-ক্যাডারের ফল একসঙ্গে

৪৩তম বিসিএসের ক্যাডার ও নন-ক্যাডারের ফলাফল একসঙ্গে দেওয়া হবে। এজন্য মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর নন-ক্যাডারের শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহের কথা জানিয়েছে সরকারি কর্ম কমিশন (পিএসসি)।

পিএসসি’র একটি সূত্র জানিয়েছে, আগামী ২১ নভেম্বর ৪৩তম বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হবে। মৌখিক পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর ফল তৈরির কাজ শুরু হবে। এই প্রক্রিয়া চলা অবস্থাতেই জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের কাছে নন-ক্যাডারের শূন্য পদের তথ্য সংগ্রহ করা হবে। এরপর নন-ক্যাডারের আবেদন গ্রহণ করে ক্যাডার ও নন-ক্যাডারের ফল একসঙ্গে প্রকাশ করবে পিএসসি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পিএসসি’র শীর্ষ পর্যায়ের এক কর্মকর্তা আজ সোমবার জানিয়েছেন, বিসিএসের মৌখিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পরও অনেকে ক্যাডার পদে সুপারিশ পান না। ফল প্রকাশের পর ক্যাডাররা হয়তো খুশি হন। তবে ক্যাডারের কোনো পদ না পেয়ে নন–ক্যাডারের অপেক্ষায় থাকা প্রার্থীরা হতাশায় ভোগেন। এটি অনুধাবন করে পিএসসি ক্যাডারের সঙ্গে সঙ্গে নন–ক্যাডারের ফল দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে।

ওই কর্মকর্তা আরও জানান, নন–ক্যাডারের পদ বরাদ্দ দিতে অনেক সময় লেগে যায়। আবেদন শেষ করে প্রার্থীদের যোগদানেও সময়ক্ষেপণ হয়। একই সাথে বিসিএস দিয়ে একজন অনেক আগেই চাকরিতে প্রবেশ করছেন, আরেকজন অনেক দেরিতে কর্মজীবন শুরু করছেন। এতে বৈষম্য তৈরি হচ্ছে বলে মনে হয়। সে কারণে একসঙ্গে ক্যাডার ও নন-ক্যাডারের ফল প্রকাশ করা হবে। ৪৩তম বিসিএস থেকে এটি বাস্তবায়ন হবে।

এদিকে ৪৩তম বিসিএসের ৭ হাজার ৯৩৩ জন প্রার্থীর মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। নভেম্বর মাসের শেষ দিকে অথবা ডিসেম্বরের শুরুতে এই বিসিএসের চূড়ান্ত ফল প্রকাশের পরিকল্পনা করেছে পিএসসি।

পিএসসি সূত্র জানিয়েছে, আজ সোমবার ৪৩তম বিসিএসের ৪৪ কার্যদিবসের মৌখিক পরীক্ষা শেষ হয়েছে। ৪৪ কার্যদিবসে ৭ হাজার ৯৩৩ জনের মৌখিক পরীক্ষা নেওয়া শেষ হয়েছে। আরও ১ হাজার ৯১৩ জনের ভাইভা বাকি রয়েছে।

২০২১ সালের ২৯ অক্টোবর ৪৩তম বিসিএসের প্রিলিমিনারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। গত বছরের জুলাই মাসে লিখিত পরীক্ষার কার্যক্রম শুরু করে পিএসসি। গত ২০ আগস্ট লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। এতে উত্তীর্ণ হন ৯ হাজার ৮৪১ জন।

৪৩তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, এ বিসিএসে বিভিন্ন ক্যাডারে ১ হাজার ৮১৪ কর্মকর্তা নেওয়া হবে। এর মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারে ৩০০ জন, পুলিশ ক্যাডারে ১০০, পররাষ্ট্র ক্যাডারে ২৫, শিক্ষা ক্যাডারে ৮৪৩, অডিটে ৩৫, তথ্যে ২২, ট্যাক্সে ১৯, কাস্টমসে ১৪ ও সমবায়ে ১৯ জনকে নিয়োগ দেওয়া হবে।