১৪ নভেম্বর পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা, ১৫ নভেম্বর থেকে সীমিত পরিসরে খুলে দেয়া হতে পারে

0
61
বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য যোগাযোগ করুন : ০১৭১৭১২৪৬৪৬

আজ বৃহস্পতিবার শিক্ষামন্ত্রী এক ভার্চুয়াল প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি অনুকূলে আসলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। বিশেষ করে আগামীতে যারা এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা দেবে তাদের কথা বিবেচনায় রেখে সীমিত আকারে প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন ‘সীমিত পরিসরে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার কথা বলছি, যারা আগামী বছর পরীক্ষা দেবে তাদের জন্য। এ বছর যারা এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিল তাদের সব প্রস্তুতি ছিল। কিন্তু আগামী বছর যারা পরীক্ষা দেবে তাদের তো পড়াশোনায় ব্যাঘাত হয়েছে। তাদের জন্যই সীমিত পরিসরে হলেও নির্ধারিত পরীক্ষার আগে যদি সময় দেয়া যায় তাহলে হয়তো তারা সিলেবাস শেষ করতে পারবে। তিনি বলেন, ‘সীমিত পরিসরে তাদের ক্লাসরুমে নিয়ে এসে তাদের যেসব সমস্যা আছে সেটি কীভাবে সমাধান করা যায় সেটি দেখছি। অনেকে বলছে স্কুলের আসার বিষয়টাই হয়তো ভুলে যাচ্ছে তারা। তবে সব কিছুই নির্ভর করবে করোনা পরিস্থিতির ওপর।’

এসময় মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকি আছে কিনা সেটি দেখবো। যদি প্রয়োজন হয় তখন পিছিয়ে যেতে পারে। সেটি পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করবে। আমরা এখনই বলতে পারছি না পরীক্ষা পেছাবো কিনা। সেটি সময় হলেই আমরা সিদ্ধান্ত নেবো।’

সংবাদ সম্মেলনে অনলাইনে সংযুক্ত ছিলেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. মাহবুব হোসেন, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান।

এছাড়া, শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘করোনার শুরুর পর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘ ছুটি চলছে। তবে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যাওয়ার অনুশীলন করতে হবে। যেহেতু একটি প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা সুনির্দিষ্ট। পরীক্ষার মাধ্যমেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আসার অনুশীলন শুরু করতে পারে তারা। বিদ্যালয়গুলোতে যাতে এখন থেকেই তা শুরু হয়, সেটি বিবেচনার প্রয়োজন আছে।’

এদিকে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকলেও প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরে টিভিতে শ্রেণি পাঠদান সম্প্রচার করা হচ্ছে। আর উচ্চ মাধ্যমিক এবং উচ্চ শিক্ষাস্তরে অনলাইনে ক্লাস পরিচালনা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য, করোনার কারণে ১৭ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রয়েছে। আগামী ৩ অক্টোবর পর্যন্ত ছুটি ঘোষণা করেছিল সরকার। এবার তা ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানো হলো। তাই এ বছর প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বাতিল করে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা/মূল্যায়নের নির্দেশনা দেয়া রয়েছে। অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে। নভেম্বরে এসব পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here