জোড় তারিখে অনলাইন এবং বিজোড় তারিখে অফলাইন ক্লাস


শিক্ষা সংবাদ প্রকাশের সময় : এপ্রিল ১, ২০২৬, ১:২১ পূর্বাহ্ণ /
জোড় তারিখে অনলাইন এবং বিজোড় তারিখে অফলাইন ক্লাস

বৈশ্বিক সংকট ও জ্বালানি পরিস্থিতি বিবেচনায় দেশে আবারও মহানগরী এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে (বিশ্ববিদ্যালয় বাদে) অনলাইন ক্লাস চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। তবে করোনাকালের মতো পুরোপুরি অনলাইননির্ভর না হয়ে অনলাইন ও অফলাইন মিলিয়ে সমন্বিত বা ‘ব্লেন্ডেড’ শিক্ষা পদ্ধতি চালুর বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) বিকেলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত ঢাকা মহানগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসমূহের প্রধান এবং শিক্ষা বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক মতবিনিময় সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। সভায় সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন ও তিন দিন অফলাইনে (সশরীরে) ক্লাস পরিচালনার বিষয়ে প্রাথমিক সিদ্ধান্ত হয়েছে। এখনো এ সংক্রান্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ বৈঠকে বিষয়টি চূড়ান্ত হতে পারে। সভায় সভাপতিত্ব করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

শিক্ষা মন্ত্রনালয় সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা যায়, প্রস্তাবিত এই ব্যবস্থায় জোড় তারিখে অনলাইন ক্লাস এবং বিজোড় তারিখে অফলাইন ক্লাস পরিচালিত হতে পারে। তবে ব্যবহারিক বা প্র্যাকটিক্যাল ক্লাসগুলো কেবল অফলাইনেই নেওয়ার বিষয়ে প্রাথমিকভাবে একমত হয়েছে সংশ্লিষ্টরা। তাদের ভাষ্য, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা এবং প্রযুক্তিনির্ভর শিক্ষার প্রসার ঘটাতে এ ধরনের হাইব্রিড পদ্ধতি কার্যকর হতে পারে। তবে বাস্তবায়নের আগে এটি আরও পর্যালোচনা করা হবে।

তথ্যমতে, চলমান বৈশ্বিক সংকটে বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সাপ্তাহিক ছুটি তিন দিন এবং শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অনলাইন ক্লাস নেওয়াসহ আটটি পরিকল্পনা করেছে সরকার। এসব পরিকল্পনার মধ্যে কোনটি বাস্তবায়ন করা হবে সে বিষয়ে আগামী বৃহস্পতিবার অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সভায় চূড়ান্ত করা হবে।

ব্লেন্ডেড শিক্ষা পদ্ধতি বা মিশ্রণ শিক্ষণ বলতে প্রথাগত সশরীরে শ্রেণিকক্ষের পাঠদান ও ডিজিটাল বা অনলাইন প্রযুক্তির সমন্বয়কে বোঝায়। এতে শিক্ষার্থীরা আংশিক সময় শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত থেকে পাঠ গ্রহণ করবে এবং পাশাপাশি অনলাইন প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমেও পাঠদান চলবে।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের মার্চে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে এসব প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা শুরু করা হয়।

আমাদের ফেসবুক পেজে দেখুন